সিলেটে কলেজ ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের ভিডিও

sylhet.jpgজন্মদিনের কথা বলে এক কলেজ ছাত্রীকে তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী উর্মি সিলেটের উপশহরে এক বাসায় নিয়ে যায়। এরপর কিছু বুঝে উঠার আগেই অকস্মাৎ আগে থেকে ওত পেতে থাকা ৮ বখাটে যুবক ওই ছাত্রীর জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ।এই সময় তারা মোবাইল ফোনে ছবি তুলে ও ভিডিও করে।ঐ কলেজ ছাত্রীর শত আর্তনাদ বখাটেদের থামাতে পারেনি। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হলে পুলিশ উর্মিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।সিলেটের শাহ পরাণ থানায় ওই ছাত্রী ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে।আসামিদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ধর্ষণে সহায়তা, পর্নোগ্রাফি ধারণে বাধ্য করা, সামাজিক মর্যাদাহানির ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি, ইন্টারনেট ও মোবাইলে তা ছেপে দেয়া এবং এসব অপরাধে সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। বাদিনী কলেজছাত্রী তার লিখিত এজাহারে উল্লেখ করে, উর্মির সঙ্গে সে চলতি বছর ইছরাব আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। বর্তমানে সে মোমিনখলার স্টার লাইট কলেজে প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত।

গত ১১ই সেপ্টেম্বর উর্মি একটি সিএনজি অটোরিকশাযোগে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে তাকে নিয়ে যায় শাহজালাল উপশহরের একটি বাসায়। সেখানে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কোন আয়োজন ছিল না।বাসায় ঢোকার পর পরই আসামিরা প্রাণে মারার ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে নগ্ন করে।এরপর তার ভিডিও চিত্র ধারণ করে মোবাইলের ক্যামেরায়। তার ওপর যৌন নির্যাতন চালায় তারা। পরে আসামিরা ভয় দেখিয়ে ছাত্রীর পিতার কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।

এই ঘটনার পর বুধবার রাতে কদমতলী পয়েন্ট থেকে কম্পিউটারসহ সুলতান নামের এক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এছাড়া পুলিশ ওই রাতেই মামলার এজাহার নামীয় আসামি দক্ষিণ সুরমার পালপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার মেয়ে উর্মি (১৭)কে গ্রেপ্তার করেছে। উর্মির দেয়া তথ্যমতে পুলিশ দক্ষিণ সুরমা ও সিলেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছে। আসামিরা হচ্ছে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার জৈনপুর গ্রামের লিমন, শিববাড়ী এলাকার কয়েছ, পালপুর কুশিঘাট গ্রামের রাব্বি, মাছিমপুরের শাহী সহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন। এ ছাড়া এ ভিডিও ক্লিপটি যেসব মোবাইলের দোকানে রয়েছে, সেসব ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি। সূত্রঃ হ্যালো-টুডে ডটকম